গল্পের একমাত্র পাঠক যখন ছোট বোন

জে.কে. রাওলিং এমন একজন লেখক যার বই চারশ মিলিয়ন কপি বিক্রী হয়েছিলো!
.
২০০৪ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিনের মতে সে বই লিখে প্রথম বিলিওনিয়ার!
.
কমপক্ষে বার প্রকাশনী তার হ্যারি পটার সিরিজের প্রথম বই রিজেক্ট করেছিলো তবুও সে ধৈর্য হারায়নি!
.
২০০৮ সালে তিনি হাবার্ডের আমন্ত্রণে সমাবর্তন বক্তব্য দিতে গিয়েছিলেন
.
জেনে রাখা ভালো,
.
হাবার্ড এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় যেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাত জন প্রেসিডেন্ট ডিগ্রী লাভ করেছিলো!
.
বর্তমানে ওয়ার্ল্ড রেংকিং এ শীর্ষে ম্যাসাচুসেটস, অক্সফোর্ড তারপর ক্রমান্বয়ে স্টানফোর্ড, ক্যামব্রিজ, এবং হাবার্ড,
.
আর আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৭০১তম।
.
হাবার্ডের সেই বক্তব্যে জে.কে. রাওলিং বলেছিলেন, ‘ব্যক্তিগত সুখ তোমার কোয়ালিফিকেশন্, সিভি, অর্জনগুলোর উপর নির্ভর করে না, জীবন আরো কঠিন এবং তারচেয়েও জটিলতর বিষয়’
.
খ্যাতি কিংবা প্রাপ্তি জীবন হতে পারে না জীবন তারচেয়ে বেশী কিছু
.
কে জানতো শুধুমাত্র ছোট বোনের আনন্দের জন্য মজার মজার গল্প লিখা মেয়েটি এক দিন জে কে রাওলিং হয়ে উঠবে!
.
আরো বলেছিলেন, ‘এক সময় আমার জীবন অন্ধকার ছিলো যতদূর তাকাতাম মনে হতো শুধু অন্ধকার আর অন্ধকার কিন্তু বিশ্বাস করতাম হঠাৎ কোন না কোন দিক থেকে এক টুকরো আলো আসবে আর সেই প্রতীক্ষা করতাম!’
.
তিনি বলতে চেয়েছেন থাকার মধ্যে আমার ছিলো কল্পনা শক্তি আর কিছু ব্যর্থতা, সমালোচনা আর গল্প লেখার ক্ষমতা যা পরিস্থতি পাল্টে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট!


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ