রূপন্তী নামের ইতিকথা

[অনেকেই আমাকে জিজ্ঞাসা করেছে রূপন্তী নামটি কার। আমার সাথে তার কি সম্পর্ক ,রূপন্তী নামে আদৌও কেউ কি আছে? নাকি এটা শুধুই কাল্পনিক চরিত্র? তাদের উদ্দ্যেশে আমার এই লিখা,]

 

রূপন্তী নামটা যে কাল্পনিক চরিত্র এ কথা মোটেও সত্য নয়।সত্য কথা এই যে রূপন্তী নামে কেউ একজন আছে।সে আমার প্রিয়তম,আমার খুব প্রিয় ভালোবাসার ব্যাক্তি।লোকে তাহাকে কাল্পনিক চরিত্র হিসাবে জানে।আমার প্রিয়তম পূর্ণবতীর আসল নাম রূপন্তী নয়।রুপন্তী আমার দেওয়া নাম।তাহার এই নাম দেওয়ার যৌক্তিকতা বা স্বার্থকতা হলো আমার কাছে তার রুপের অন্ত নেই।তাই এই নামটি আমি তাহাকে উপহার দিয়েছি।কেও হয়তো বলে উঠবে আমি হয়তো বেশী প্রশংসা করছি,কিন্তু আমি কোনো মিথ্যা কথা বলি নাই।তাহার রূপ বড়ই আশ্চার্য,খুবই মায়াবি দেখলেই তার প্রেমে পড়তে ইচ্ছা হয়।

 

যাক সে সব কথা আমি তার রূপের কথা বলবো না।আপনারা আমার দেওয়া নাম দেখেই তাহার রূপ বিচার করিবেন।আমি তাহার রূপের কথা বলার জন্য লিখতে বসি নাই।আমি লিখতে বসেছি তার নাম দেওয়ার কারনের কথা।কোথায় জেনো পড়েছিলাম ঠিক মনে নেই ভালোবাসার মানুষকে নাকি সুন্দর নাম উপহার দিলে ভালোবাসা বাড়ে ।কিন্তু বিশ্বাস করুন তার এ নাম দেওয়াতে আমার প্রতি তার ভালোবাসা একটু ও বৃদ্ধি পায় নাই।আপনারা কি ভাবছেন,সে অকৃতজ্ঞ?তাহাকে এতো সুন্দর নাম উপহার দিলাম তবুও আমার প্রতি তার একটুও ভালোবাসা বৃদ্ধি পায় নাই।এখানে আমার বক্তব্য এই যে সত্যি সে অকৃতজ্ঞ নয়।তার ভালোবাসা যে কেনো বৃধি পায় নাই তা সম্পুর্নই আমার অজানা।

আমার প্রতিতার ভালোবাসা বৃদ্ধি না পেলেও সে আমাকে একটি নাম উপহার দিয়েছে।নামটা আমার খুব ভালো লেগেছে।নামটা যে আমাকে এতো ভালো লেগেছে সে কথা তাকে কখনই বলা হয়ে উঠে নাই।কোনো এক পরন্ত বিকালে প্রাচিন বাংলার রাজধানী করোতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত মহস্থানগড় এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে গিয়ে প্রিয়তমা পূর্ণবতী আমার এই নাম উপহার দেয়।নামটা যে কেনো আমাকে উপহার দিলো তা সম্পুর্নই আমার অজানা।ভালো না বাসলেও হয়তো আমাকে তাহার একটু ভালোলাগে তাই হয় তো এ নাম আমাকে উপহার দিয়েছে।

আমার প্রতি তাহার ভালোবাসা বৃদ্ধি না পেলেও তার এই নাম দেওয়া তে তাহার প্রতি আমার ভালোবাসা সাতাশ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে।সমালোচকেরা হয়তো বলতে পারে সাতাশ গুন বৃদ্ধি পেলো কেনো?এর বেশী বা কম নয় কেনো?সত্যি কথা বলতে কি আমি নিজেও জানি না তাহার প্রতি আমার সাতাশ গুন ভালোবাসা ভালোবাসা বৃদ্ধি পেলো কেনো?আমি শুধু এটা জানি তাহাকে দেখলে আমার হৃদ স্পন্দন বেড়ে জায়,নিজেকে তখন জীবন্ত উম্মাদ মনে হয়।আপ্নারা কি ভাবছেন?যে কি এমন নাম দিলো যার কারনে তাহার প্রতি আমার ভালোবাসা সাতাশ গুন বেড়ে গেলো?দুঃখিত আমি আপনাদের সেই নামটি বলতে পারবো না।কারণ মানুষ মাত্রই রহশ্যময়,আমিও এর ব্যাতিক্রম নই।থাকনা অজানা আমার নামের এই রহশ্য।

*ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন*

Share Button
  • 11
    Shares

পাঠটিকে একটি রেটিং দিনঃ
খুব খারাপ, পাঠটিকে ১ রেটিং দিনখারাপ, পাঠটিকে ২ রেটিং দিনমোটামুটি, পাঠটিকে ৩ রেটিং দিনভাল, পাঠটিকে ৪ রেটিং দিনআসাধারন, পাঠটিকে ৫ রেটিং দিন (টি ভোট, গড়ে: এ ৫.০০)
Loading...

বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে বুননকে সাহায্য করুনঃ


সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়



  • লেখক পরিচিতিঃ সাজেদুর আবেদিন শান্ত

    বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ 2018-05-22 15:21:21 তারিখ নিবন্ধিত হয়েছিলেন, এই পর্যন্ত প্রকাশিত লেখা সংখ্যা 3টি, মোট 69 পয়েন্ট সংগ্রহ করে অবস্থানে আছেন।
    সংগঠন ও গোষ্ঠীঃ লেখক কোন সংগঠন বা গোষ্ঠী এর সদস্য নন

    আপনার ভাল লাগতে পারে

    avatar