ভেজা জল।।

শীত নেমেছে। নিয়নবাতির শহরে।

গ্রামে। গ্রামান্তরে। রাত যেথায় জেগে থাকে জোনাকির আলোয়।

অফিস গুছিয়ে সন্ধ্যা গায়ে মেখে বাড়ি ফিরছে আব্দুল্লাহ আল মেহেদি হাসান।

জাহাজ কোম্পানি মোড়। চড়ে বসলো অফিসের ‘BMW’ গাড়িতে। গাড়িটা পায়রাচত্বর পেরিয়ে সুপার মার্কেট বামদিকে রেখে সিটি মার্কেট, টাউনহল পেরিয়ে সোজা রাধাবল্লভ গিয়ে পৌঁছলো। বাসাটা গাড়ির ডানে পড়ে।

নামে। ঘরে পা দেয়। এভাবেই ফিরে প্রতি সন্ধ্যায়।

অফিস যায় একটু উল্টো হয়ে। বাড়িটা বামে দাঁড়িয়ে থাকে গাড়ির। মেহেদি উঠে। রাধাবল্লভে যাত্রা শুরু। টাউনহল, সিটি মার্কেট পেরুলে ডানে পড়ে সুপার মার্কেট। পায়রাচত্বরের পায়রা দেখতে দেখতে জাহাজ কোম্পানি পৌঁছায় গাড়ি।

অফিসে নামে। ডুব দেয় কাজের সাগরে। শ্বাসকষ্ট হয় মাঝেমধ্যে। তবুও অক্সিজেন নেয় না। সহকর্মীরা তো চান্স পেলেই অক্সিজেন খোঁজে। মানে অবসর নেয়। বিকেল হতেই যেন তাদের সন্ধ্যা নামে গায়ে-গতরে।

শোবার ঘরের দেয়ালঘড়িতে রাত আটটা। মেয়েটা পড়ছিলো তার দাদি রহিমা বানুর বিছানায় বসে। দাদি তসবিতে মশগুল। আর দাদু সবুর শেখ গল্পের বইয়ে বুদ হয়ে আছেন। কথাসাহিত্যিক আশান উজ জামানের ‘অন্য চোখে’ পড়ছেন। পাশে কলামিস্ট উমর ফারুকের ‘ব্যাজস্তুতি’। হুমায়ূন, রবীন্দ্র, শরৎসমগ্র একটার গায়ে একটা হেলান দিয়ে জায়গা করে নিয়েছে টেবিলে। যেন জনম জনমের সখ্যতা তাদের। ঠিক যেমন বইয়ের সাথে সখ্যতা সবুর সাহেবের। নিজের ছেলের লেখা একটা বইও আছে তাতে। এদের সাথে অনেক রাত কাটে তাঁর।

রোজকার মতো আজো বাবার জন্য অপেক্ষা করছিলো মেয়েটা। বাবা আসবে। ফ্রেশ হবে। বাপ-মেয়েতে একসাথে খাবে। দাদি আর দাদা তাই আগেই খেয়ে নেন।

বাবার মুখে গল্প শুনতে শুনতে ঘুমোতে যাবে লক্ষী মেয়ে রুপন্তি। মুক্তিযুদ্ধের গল্প। রাজা-রাণীর গল্প। আর কত গল্প!

আজো মেহেদি ফ্রেশ হলো। খেলো। কিন্তু, গল্প বলে ঘুমোতে গেলো না মেয়েকে নিয়ে। মেয়ে প্রথমে কান্না ধরলো। পরে বাবা বুঝিয়ে বললে ঘুমিয়ে পড়লো বিছানায়। বাধ্য মেয়ের মতো। যেনো কত বড় হয়ে গেছে মেয়েটা! অথচ বয়স মাত্র চার ছুঁই ছুঁই। আসছে সতেরো ডিসেম্বরে বয়স চার বছর হবে।

দেখতে দেখতে চারটা বছর হয়ে যাচ্ছে!

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ করছিলো মেহেদি। শেষের দিক। আর ক’দিন বাদে ফলাফল।

ভার্সিটি থেকে বেরিয়ে লালবাগ পর্যন্ত আসলো ইজিবাইকে। কেডিসি রোড দিয়ে স্টেশনের দিকে পা বাড়িয়েছে মেহেদি।

শীতের বিকেল। শীতমাখা গোধূলি নামছে।

মনটা ভীষণ খারাপ। আজ কয়েকটা বোতল খাওয়াই চাই। হোক না প্রথম। তবুও এখন মনের ভিতর যে অশান্তির আগুন জ্বলছে, তা নেভাতে হবে। দীপকের কাছে ওসব নিশ্চয়ই পাওয়া যায়। তাই দীপককে খঁুজছে মেহেদি। সন্ধ্যা হয়ে আসছে।

না! বেটা সনাতনের দেখা মিলছে না। খৌঁজ নিতে নিতে এগুচ্ছে স্টেশনের বস্তির দিকে।

হঠাৎ এক নবজাতক শিশুর কান্নার মতো শব্দ আসছে কানে। মেহেদি থমকে গেলো। বুকের ভিতরটা কেঁদে উঠছে যেনো! দু’চোখ দশদিকে খুঁজছে কান্নার উৎস। বেশি দেরি হলো না, পাশের ডাস্টবিনে এক ফুটফুটে নবজাতক। বুকে তুলে নিলো মেহেদি। মদ খাওয়ার কথা মাথা থেকে চলে গেলো। ফিরে যাবে বাসায়। হাটতে শুরু করবে, এমন সময় কে একটা পাশ দিয়ে দৌঁড়ে চলে গেলো। মুখে সন্ধ্যার অন্ধকার। তাই মুখটা দেখতে পেলো না। কে হতে পারে? কিছুক্ষণ ভাবলো। থাক! কে হয় হয় হোক। ভেবে কাজ নেই।

ভালবেসে ঐ যে বুকে তুলে নিয়েছে শিশুটাকে। এখনও সেই ভাবেই ভালবেসে বুকে করে রেখেছে মেয়েটাকে। ওর দেখা শোনা করার জন্য একজন লোক রেখেছে মেহেদি। মা-বাবার জন্য রেখেছে আরো একজন।

হঠাৎ স্মৃতিরোমন্থনের পালায় বাধা হলো অফিস পিএস আনানের ফোন। মুহূর্তেই যেনো অফিসে চলে গেল মেহেদি।

‘হ্যালো, বস। আসসালামু আলাইকুম। ফাইলটা চেক করিয়েন রাতে। সকালে বড় বসের কাছে আপনাকে ওটা সাবমিট করতে হবে।’
‘আচ্ছা দেখছি। ভালো থাকো আনান। শুভ রাত্রি।’
‘শুভ রাত্রি, বস। ভাল থাকেন।’

রাত্তির দশটা।

ফাইলটা চেক করলো মেহেদি। মাঝেমধ্যে এমনি করে অফিস বাসার মধ্যে চলে আসে। ভাল্লাগে না! তবুও ভাল লাগাতে হয়। ফাইল দেখা শেষ।

লাইটের সুইচটা অফ করলো। রাতের চোখে এখন বেশ ঘুম। শীতকাল বলে এই যান্ত্রিক শহরেও রাতের চোখে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে। কিন্তু, মেহেদির চোখে ঘুম নেই। ভুলে যাওয়া স্মৃতি ভুল করে মনে পড়ে গেলে কষ্ট হয়, ভীষণ কষ্ট! আজ হঠাৎ রেখার কথা মনে পড়ছে তার। ছয় বছর আগে এমনি এক শীতের রাতে তাদের প্রেমের পর্ব শুরু হয়। ফেসবুকে।

পরিচয় আগে থেকেই। এক কলেজ থেকেই এইচ, এস, সি পাশ করেছে। মেহেদির ভার্সিটিতে চান্স হলেও রেখা পড়ে থাকে ঐ কলেজেই। বেশ যাচ্ছিলো তাদের জীবন। হঠাৎ পুরনো বন্ধুত্ব প্রেমে পা দিবে, সেটা ভাবতেই অবাক লাগে। প্রেম চলে। মাস যায়। এক মাস। দুই মাস। তারপর প্রথম প্রেম সাক্ষাত। এটা সেটা কত কথা! কত ন্যাকামি দু’ জনে। বেশ যাচ্ছি সময়। কিন্তু, না! বছর পেরুলো না। শীতও পেরুলো না।

ছেদ পড়লো সম্পর্কে। আসলে শীতকালে আসা বসন্তগুলি বুঝি স্থায়ী হবার জন্য আসে না!

তৃতীয় বর্ষে পড়ুয়া একটা মেয়ের বিয়ে হতেই পারে। কিন্তু, তৃতীয় বর্ষ পড়ুয়া একটা ছেলে কি হুট করে একটা মেয়েকে ঘরে তুলতে পারে? বাবার স্বপ্নের তো ‘স’ ও পূরণ হয় নি এখনো। তাতেই বিয়ে! না। সম্ভব নয়। স্তম্ভিত হয়ে গেলো মেহেদি।

ছোট লোকের বংশ, লুচ্চা, প্রতারক, ভীতু, কাপুরুষ। তুমি জীবনে কিছু করতে পারবে না। তোমারে আমার কাছে হাত পাততে হবে একটুকু ভালবাসার জন্য। তখন দূর দূর করে তাড়িয়ে দিবো। ভণ্ড কোথাকার! দূর হও চোখের সামনে থেকে। কোন দিন সামনে আসবে না। –এমনি শ’খানেক গালিমিশ্রিত কথার তুবড়ি ছুড়ে যাচ্ছে রেখা।

মেহেদির ভিতরে যেনো সাইক্লোন যাচ্ছে! দুইটা বছর সময় চাইলো রেখার কাছে। কাল মেহেদির সেমিস্টার ফাইনাল এক্সাম। তাই এক্সাম শেষে দেখা করতে চাইলো রেখার সাথে। কান্না চোখে নিয়ে কিছু না বলেই চলে গেল রেখা। ফেরানোর চেষ্টা করলো না মেহেদি। ভাবলো এক্সাম শেষে একটা ব্যবস্থা করবে। একটা পার্ট-টাইম জব করবে। বিয়ে করবে ওকে। সব ঠিক হয়ে যাবে।

এক্সাম শেষ হলো। মেহেদির স্বপ্নও শেষ হলো। রেখার পরিবার হাওয়া হয়ে গেছে। কোথায়, কেউ জানে না। পাশের বাড়ির লোকও না। মেহেদি পাগলপ্রায়। ভীষন রকম কষ্ট। তার সমস্ত পৃথিবী যেনো থমকে গেলো। দিন- চাঁদজোছনা সব যেন অন্ধকারে মিলিয়ে গেলো। থেমে গেলো নাট্যচর্চা। বিতর্কচর্চা। পড়াশুনা। পত্রিকায় লেখালেখি। সব।

বেশ কিছুদিন পর আস্তে আস্তে সব স্বাভাবিক। ক্ষতি যা হবার তা হলো তিনটে সাবজেক্ট ইনপ্রুভ দিতে হলো তাকে। স্যারদের বাঁকা চাহনী। বন্ধুদের অবহেলাকে পুঁজি করে সফল হতে থাকলো মেহেদি। বেতারে উপস্থাপনার সুযোগ হলো। পড়াশুনা। বির্তক। নাট্যচর্চা। কলাম লেখা আবার জমতে থামলো।

দেখতে দেখতে বিবিএ শেষ হলো। এমবিএ শুরু করলো। পাশাপাশি চাকরি খোঁজা। বাবা চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। সব মিলিয়ে বেশ একটা চাপে মেহেদি। দেখতে দেখতে এমবিএ-ও শেষ। তবুও চাকরির দেখা নেই।

তখনি কল্যাণ লক্ষী হয়ে ঘরে আসে এই রুপন্তি। কিছুদিনের মধ্যে চাকরি হয়। নিজ জেলা। নিজ শহরেই। তখন থেকেই বেশ আছে সেটা নিয়ে মেহেদি। এখন টকশো করে প্রায়। তুহিন ওয়াদুদ স্যার, উমর ফারুক স্যাররাও থাকেন সেখানে। গর্বে বুকটা ভরে ওঠে তার। স্যারদেরও তেমনটা হয় কি না! কে জানে!

স্মৃতিরোমন্থনটা হঠাৎ থমকে গেলো। মনে হলো এতক্ষণ সিডি চলছিল। যেটা হঠাতেই শেষ হলো।

একা লাগছে। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে যেনো ভীষণ একা সে। আগের জন্মে হয়তো একাকিত্বের সাথে ভুলক্রমে চুক্তি করেছিলো। তাই এ জন্মে একাকিত্ব তার পিছু ছাড়ে না। রাত বাড়ছে। কষ্ট বাড়ছে। পুরনো কষ্ট। আস্তে আস্তে ঘুমের দেশে চলে গেলো মেহেদি। সকাল হলো রুপন্তির মায়াভরা ডাকে।

ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে অফিসের গাড়িতে অফিস যাচ্ছে মেহেদি। স্কুলে মেয়েকে নামিয়ে দিলো। সাথে নামলো রুবি। ও-ই দেখভাল করে রুপন্তির।

অফিসে নামলো। টিক টিক রে করে ঘড়ির কাঁটায় সন্ধ্যা নামলো। বাসায় ফিরে বাপ-মেয়েতে খেয়ে ঘুমোতে যাবে, এমন সময় মা ঘরে ঢুকলেন মেহেদির। মেহেদি উঠে বসলো। উঠে বসলো রুপন্তিও।

‘রেখা, মেয়েটার কি বিয়ে হয়েছে রে মেহেদি? কই থাকে, কি করে এখন?’

মায়ের চোখে প্রশ্ন। রুপন্তিরও। রেখাটা আবার কে? রেখা কি ওর মা। বাবা বলেছিলো তার মা নাকি বিদেশে গেছে পড়তে!

‘না জানি না। তবে ওরা এ শহরে নেই, সে পাঁচ বছর তো হবেই!’
‘আমার তো মনে হয় ওরা এ শহরেই আছে। কাছাকাছি আছে।”
‘হা! হা! কোথা হতে এমন অদ্ভূত খবর পাও মা তুৃমি? ওসব তোমার ভুল ধারণা। অনেক রাত হয়েছে মা, ঘুমোতে যাও।”

মা চেহারায় অতৃপ্তি নিয়ে বেরিয়ে গেলেন। সুইচ অফ করে ঘুমোতে যাবে মেহেদি, এমন সময় রুপন্তি প্রশ্ন করে বসলো।

‘রেখা, কি আমার মা হয় বাবা?’

বিস্ময়ে থ’ বনে গেল মেহেদি। বিস্ময় থামিয়ে বললো, ‘রেখা তোমার আন্টি হয় রুপন্তি।’

‘মা কবে আসবে বাবা? আমি মায়ের কোলে চড়বো।’
‘আসবে মা। আসবে। এই সামনের বছর আসবে।’

রুপন্তি বাবাকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়লো।

সকালে উঠেই দীপককে ফোন দিলো মেহেদি। হ্যাঁ, মায়ের কথাই ঠিক। রেখারা এ শহরেই থাকে। বাবার হঠাত বদলি হয় ঢাকায়। তাই পরিবার ঢাকায় যায়। কিন্তু, রেখা যায় না। ও থাকে। এ শহরের একটু দূরে এক মাতালের বউ হয়ে। বছরখানেকও সংসার টেকে নি। রেখার বাবা ফের রংপুরে বদলি হয়ে আসেন। পড়া শেষ হয় রেখার কিন্তু, কোন চাকরি হয় নি এতো দিনেও। ওভাবে চেষ্টাও করে নি হয়তো।

দীপক বেটা এতো সব জেনেও বলেনি এতদিন! অবশ্য ভাল হয়েছে। কি বা লাভ হতো জেনে?

আজ অফিস ছুটি। শুক্রবার। সকালে নাস্তা করে বাবা, মা আর রুপন্তির সাথে আড্ডায় ডুব দিয়েছে মেহেদি।

কলিংবেলটা চিৎকার করে উঠলো। দরজা খুলতে গেলো মেহেদি। অবাক হলো। মাথায় বাজ পড়লে। বুঝতে বাকি নেই এ মা আর দীপকেরই কাজ। রেখা এসেছে। টোলপরা গালটা একটুখানি নুইয়ে গেছে। চুলগুলি উসকো।

‘রুপন্তিকে একটাবার দেখবো। তারপর চলে যাবো।’
‘না, ও আমার মেয়ে। তোমার তো কেউ নয়! ওকে দেখে তোমার লাভ কি?’
‘কারণ, ও আমার গর্ভের সন্তান।’

পুরো পৃথিবীটা যেন ঘুরতে শুরু করলো মেহেদির। সামলে নিল অনেক কষ্টে।

‘আচ্ছা, ওকে দেখবে কিন্তু কোন কথা বলবে না। তারপর চলে যাবে।’
‘আচ্ছা’ বলেই ভিতরে জোর করে ঢুকেই পড়ে রেখা। হাত বাড়ি দেয় রুপন্তির দিকে। রুপন্তি দৌড়ে আসে। বুকে জড়িয়ে কপালে চুমু খায় রুপন্তির। আহা! বন্যরা যেমন বনে সুন্দর তেমনি সুন্দর লাগছিলো রেখার বুকে রুপন্তিকে।
‘দেখা হয়েছে এবার যাও। আর কখনো এ মুখ হবে না। আর এ সন্তানের প্রতি তোমার কোন অধিকার নেই। ও-কে আদর দিয়ে বড় করেছি। ও আমার সন্তান। রুপন্তি তোমার সন্তান, তার কোন প্রমান তোমার কাছে নেই। so… good bye.’

বেরিয়ে গেলো রেখা। মা -বাবা আটকাতে বললেন। বললেন, মানুষেই ভুল করে।

হ্যাঁ, মানুষেই ভুল করে। তাকে ক্ষমাও করা যায়। কিন্তু, ও তো অমানুষ। মানুষ হলে সেদিন ওসব অকথ্য ভাষায় গালি দিতো না। অপমান করতো না মেহেদিকে। ফুলের মতো শিশুকে ডাস্টবিন এ ফেলতো না।

নানান ভাবনার জাল বুনছিলো মা-বাবা। রুপন্তিও। কি শুনলো এসব সে! ‘মা’ শব্দটার প্রতি ঘৃণা হচ্ছে।

জীবনকে তো আর ওসব অমানুষের জন্য থামিয়ে রাখা যায় না! জীবনকে চালিয়ে নিতে হয়।

টিভিতে ‘রোহিঙ্গা’ ইস্যু নিয়ে একটা টকশো হবে। তুহিন স্যার ফোন করে সে সুখবরটা দিলেন। আগামী পরশু রাতে প্রোগ্রামটা।

ব্যস্ততার যেন কমতি নেই! রুপন্তি-মা-বাবাকে ঘিরে বাঁচে মেহেদি। রোজকার অফিস তো আছেই!

রোজ বাড়িটা বামে দাঁড়িয়ে থাকে গাড়ির। মেহেদি উঠে। রাধাবল্লভে যাত্রা শুরু। টাউনহল, সিটি মার্কেট পেরুলে ডানে পড়ে সুপার মার্কেট। পায়রাচত্বরের পায়রা দেখতে দেখতে জাহাজ কোম্পানি পৌঁছায় গাড়ি। অফিসে নামে। ডুব দেয় কাজের সাগরে।


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ