বৈশাখের করিডোর

দাবদাহে বুঝে গেছি, দহনের আগেও জ্বলছে চামড়া, এ হলো রৌদ্র কীর্তি।
উড়ে উড়ে পাখিটা নিশানা খুঁজে আর আশ্রয় নেয় একটু ছায়াতলে, জল পানে নেয় তৃপ্তি।
সূর্যটা আকাশে নয়, যেনো লেগে আছে পিঠের উপরে। মাথা থেকে ঘাম ঝরে পায়ে।
পুড়ে পুড়ে খাল গেছে শুকিয়ে, গাছপালা ডাল সব যেনো গেছে জ্বলে এমন রৌদ্র গাঁ’য়ে।
২.
তৃষ্ণা মিঠেনি কারো,
পল্লী মাঠে সহস্র চাষা।
জলের তিরাশ পেয়েছে আরো,
বৈশাখ রৌদ্রে হারিয়ে ভাষা।
৩.
প্রাণের উৎসাহে মেতেছে সবাই আজকে নতুন সৃষ্টির আনন্দে,
এলো বৈশাখ, খর-রৌদ্র বৈরাগীকে সঙ্গে করি, মেঘ আর জলের ছন্দে।
৪.
চৈত্রের শেষে আন্দোলিত হৃদয়ে,  দখিন কোণে মেঘ আর শুষ্ক বাষ্প নিয়ে গেরোয়া বসে নির্লজ্জের মতো তুমি তামাটে রুপ নিয়ে আসো ধরায়।
ভুলে যাও পুরাতন স্মৃতি,  তুমি মুষ্টিবদ্ধ স্লোগানে গাও জয় ধ্বনি; তোমারি  রুপ হুংকার দিয়ে জেগে উঠে ঘুমন্ত ঋতু। তুমি অহংকার নিয়ে আসো তাপে তাপে।
৫.
পদ্যের ছন্দে দৃপ্তকণ্ঠে, ঝলমলে সূর্য নিয়ে এলে,
করুণা করে জগৎমাঝে তুমি করুণা বারী ঢেলে-
গেয়ে গেলে গান, উদাস কণ্ঠে বাউলের টান,
বিলেঝিলে গেয়ে গান,
রেখে যাও তুমি বৈশাখের মান।
বুঝেছি,বুঝেছি আমি, এমনি হয় সব- তুমি বৈশাখ এলে।
সোনা মাখা ধানে করুণা বারী দিয়েছো ঢেলে।
তুমি বৈশাখ এলে।
২৮ এপ্রিল ২০১৮ ইং

আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ