বাস্তবতা

ক্লান্ত বিকেলে আজ আমি লিখছি কিছু কাব্যকথা!
ব্যস্ত শহরের তুলে ধরতে যাচ্ছি কিছু বাস্তবতা!
রাস্তার দ্বারের ডাস্টবিনে দেখা যায় কিছু ফুটন্ত ফুল!
নিথর দেহ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে কিছু রাস্তার কুকুর!

উত্তপ্ত রৌদ্রুরে দিনমজুর এর ঘাম চুইয়ে পড়ছে পিচডালা পথে!
দিনশেষে তার পকেটে আসে অতিক্ষুদ্র কিছু ক্ষত মুদ্রা!
তাই নিয়ে ফিরে যায় সে তার অভাবে ভরা নীড়ে!
গুটিকয়েক মুদ্রা ঢেলে দেয় তার অর্ধাঙ্গিনীর হাতে!
হাস্যোজ্জ্বল মুখ নিয়ে হাত বুলিয়ে দেয় স্বামীর ক্লান্ত মুখে!

ব্যস্ত নগরীতে নেই কোন সত্য আর মায়া মমতার ছোয়া!
নিষ্ঠুর আর অসৎ যেই জন সেই পেয়েছে আলীবাবার খাজানা!
পথের দ্বারের ফকিরের হাতে দুই আনা দিতে লাগে মোর মায়া!
রিশকাওয়ালা পাঁচ টাকা চাইলে বেশি, ক্রোধে ওঠে হাতটা মোর তার শিরে!
তবুও আমি মানবদরদি সংবাদপত্রে লিখাতো আছে প্রথম পাতায়!
এই যদি হয় ব্যস্ত নগরীর দশা! তবে এর চেয়ে বড় করুণ কি হবে বাস্তবতা!

আরো আছে কিছু বাস্তব কথা, যা দিয়ে পেয়েছে জাতি আধুনিকতা!
উগ্র পোষাকে চলছে নারী পথের মাঝে, এটাই নাকি তাদের স্বাধীনতা!
বেশ্যা’র পোষাক নাকি আধুনিকতা, তাই পরে হচ্ছে নারী ধর্ষিতা!
যৌনতা নাকি আজ স্বাধীন চেতনা, তাই মিলিতো হচ্ছে তারা লিটনের বাড়ি!
উষ্ণ দেহের প্রতিটি মিলনে, মরছে এক অবুঝ শিশু!
অবুঝ শিশুর লাশের দরে, খরিদ করেছে জাতি আধুনিকতা!


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ