শ্রাবণ মেঘ

বসন্ত আসিয়াছে প্রকৃতির বুকে,
ফুলে ফুলে চারি দিক ভরিয়াছে
অন্যরকম এক সুখে।
দিগন্তের গায়ে লাগিয়াছে নীল চাদরের লাবণ্যতা
গাছগাছালির বুক চিরেও যেন অমলিন শ্রীমধুরতা।

একএক করে দুটো মাস গিয়াছে চলি,,
কোকিল তাহার কণ্ঠের গান গিয়াছে ভুলি।
বৈশাখী ঝড়ে বৃক্ষ উড়ানো ঝরঝর বৃষ্টি,
শুকনো খরার মাঝে শ্রান্ত ক্লান্ত সুদূর দৃষ্টি,
প্রকৃতিবুকে বসন্ত আসিয়াছিলো নিজ কোমলতায়,
কিন্তু
আজি পথ ঘাট মাঠ সবি যেন দগ্ধ গ্রীষ্ম উষ্ণতায়।।

চারদিকে লাগিয়া নাহি সুনসান নিরবতা,
আছে শুধু ঘন চঞ্চলতা
এই বুঝি আসিয়াছে ঘূর্ণি,আসিয়াছে মোরা….
নিঃস্ব হইবে কেহ কেহ
বেড়ে যাইবে তাহাদের আকুলতা।।

আকাশ কাঁদনে ইতি ঘটিল গ্রীষ্ম কঠিন প্রখরতার,
রুক্ষপ্রকৃতি পাইয়াছে যেন নব তাজা প্রাণ তাহার।

শ্রাবণ মেঘ,
কোথা উড়িয়া যাচ্ছে তাহারা,
ধীর হইতে ধীরে আরও ধীরে,,
এরোপ্লেনের গতিতেও তাহারা যাহিতেছে উড়িয়া।
কালো রঙ্গের বাহার ছড়াইয়ে,
মেঘাবৃত হইলো গিয়ে ধরা।

কোনো এক ছোটাছোটি খেলার সূচনায়
বাদল ঝরো ঝরো হয়ে,,
জল স্রোতোবহা হয়ে,
পড়িয়াছে গিয়ে নদী হইতে সাগর তলায়।।

এমনি করিয়া কোনো এক বসন্তে
আসিয়াছিল সে,,ছড়াইয়াছিল বাহার,
দিয়াছিল স্বর্গসুখ।
আবার দিয়াছিল বৈশাখী ঝড়,
মাঝে মাঝে আসিয়াছে হীম,
আবার
দেখাইয়াছিলো রুক্ষমূর্তি।
সবি মানিয়া তাহারে আমি জড়ায়ে লইয়াছি মায়াজালে,,
তবুও সে গিয়াছে চলি কোনো একটুকরো শ্রাবণো মেঘ হয়ে!!!!!


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ