“আত্মপরিচয়ের খোঁজে”

কাদতে হয় একা একা,

দেখাতে হয় নারে বোকা।
হয়েছতো যথেষ্ট বড়,
এবার একটু ধৈর্য্য ধর।
যেতে আর হবে না বাইরে,
এসবের দরকার নাইরে।
রান্নাবান্না নিয়েই থাক
পড়াশোনা? সে যায় যাক।
ও হ্যাঁ বুঝেছি! বুঝেছি তোর কাজ!
ওসব রেখে তুই খই, মুড়ি ভাঁজ।
রাত জাগার নেই কোনো কারণ,
তোকে শুনতেই হবে সকল বারণ।

মোটা হচ্ছিস, ডায়েট কর
পছন্দ তোকে করবে বর।
লেখাপড়া অনেক হলো
ওসবকে এখন বিদায় বলো।
কনের সাজে শ্বশুর বাড়ি
মাজতে হবে কড়াই হাড়ি।
মেয়েটা তোমার হচ্ছে বড়
ওকেও একটু শাসন করো।
তুমি ছিলে বেয়াড়া যেমন
মেয়েটাও তোমার হচ্ছে তেমন!
এত পেয়েও তোমার সাধ মেটেনি!
কার কপালে এত জোটে শুনি?
মেয়েটাকে তুমি দেবে না বিয়ে?
সুখী হবে না নাতিদের নিয়ে?
বয়স তো আর কম হলো না
স্বামীর কথা কি শুনতে মানা?
পিন্টুর মেয়ে থেকে রিমার মা
হয়েছ এখন রিণুর ঠাকুমা!

তিনকাল গিয়েতো এককালে ঠেকলো
বুদ্ধির পরিবর্তনটা কি আদৌ হলো?


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ