আমার ভোলাদা

ভোলাদা সেবার প্রেমে পড়ল
আবোলতাবোল কি যে করল।
একদিন দেখলাম পুকুর পাড়ে
নিঃশ্চুপ বসা রমাদিকে ধরে।

যেইনা গেলাম চমকে দিতে
কি ধমক খেলাম, ওরে বাপরে!

আবার দেখলাম গোলাপ হাতে
নীল পাঞ্জাবি আর কাঁপা হাতে,
রমাদির খিটখিটে বাপের কাছে
ইচ্ছে মতন ঝাড়ি খাচ্ছে।

আমি ভাই হেঁসেই মরি,
জিগেস করব কিভাবে কি করলি?
যেইনা গেলাম জিজ্ঞেস করতে
বেচারি দেখি ডুবতে বাকি চোখেরজলে।

হল সেবার রমাদির বিয়ে
গাঁট্টাগোট্টা শ্বশুর কুলে।
এরপরে কাটল বছর সাত,
কোথায় রমাদি কোথায় ভোলানাথ।

দাদার এখন একটি ছেলে,
বাবা ডাকলে সুখে ভাসে।
বৌদি আমার বিশাল রাগী,
দাদা যেন নিজের দেশে নিজে অভাগী।

তবু তাঁদের সুখের ঘর
অতীত ভবিষ্যৎ সবই পর।
বাঁচছে দাদা আজকে নিয়ে
সব ভালোবাসা আর প্রেম দিয়ে।


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ