কল্পতরুতে কল্পনা

কল্পতরু
তব কল্পনায় মোর জনমের জনম
মরন মোর তব পত্রের রঙা
সবুজে সবুজে হয়তোবা পাওয়া
আলতো স্পর্শের কোন স্নিগ্ধ অন্ধকার।

কল্পতরু
ভেবনা তুমি, ভগ্নস্তূপে তুমিই অন্তর্যামী
টুপটাপ কোন ঝড়ো হাওয়ায়
কম্পমান কোন না দেখা পাতা
রয়ে গেলাম নাহয় ভিখারি তোমার
বিদায় হলাম না নাহয় তোমার ভিক্ষায়।

কল্পতরু
মম মুক্তি নাইবা দিলে বেধে না বাধা বাঁধনে
তব মুক্তি খুঁজে নিলে ঠিকই মম আরাধ্য ভূতলে।
দান করেছ মোরে মেঘধনুর সপ্তস্বর্গ
কেড়েছিলে মোর মুক্তির অমৃত চন্দ্র।

কল্পতরু
নাহয় সেচ্ছায় দিলে সব অকালজাত কলরব
মুক্তি কি মিলে তাতে? শুধুই অবেলায়
চেয়ে থাকা, প্রভাতেরকালে আসা সন্ধ্যাবেলা।
শুষ্কপাতার ধ্বনিটাই শুনলে, তবু মানলে না।

কল্পতরু
অকালে এলে তুমি কালের চাওয়া নিয়ে
আরির উলটে তবু পেলেই ওইটুকুন।
তবু তব সৃষ্টি সাগরে নাও ছাড়াই ডুবেছিনু
কালে কালে সাগরও নিজগুণ ভুলে বালির
আরতি তুলে। সেথায় কি সাগরের দোষ আছে বল?

কল্পতরু
এ ভুবন তোমারি পূজায় থাকবে অনুক্ষণ,
ভয় হয় সহজকে সহজে যদি নাইবা পাই
তব পুষ্পিত তরুছায় ভাবিব রক্ষিত মোর
কালে চাওয়া অকালের হাসি যা গচ্ছিত রেখেছ ভালোবাসি।


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ