হাসান রোবায়েতের কবিতা

রুজা

২০

দুপুর ডিঙিয়ে মেয়েটা লাল ফুল—

টিকিট থেকে দু একটি ট্রেন
ভেসে যায়—

ভেসে যায়
পুবের জহর

সমস্ত গাছ জুড়ে পথ—
সেলুন ও সন্ধ্যার ভেতর উড়ে যায় চুল

*

মুখোশের ঘ্রাণ নিভে এলে যে যার মতো
উঠে যায় ট্রেনে
মাছের চোখ
শিস ফুঁকাতেই
নিয়ে আসে দ্রৌপদীবেলা

রেখাগুলো চুপচাপ উড়ে যায় স্যাবোটাজ

*

পাতাগুলো টুপটাপ দুপুর:
নুনের দর বেড়ে যায়—

এবার হলুদ শাড়ি পড়িয়ে পাঠিয়ে দাও বেহুলাযাত্রায়

কতগুলো ফ্র্যাকচার ফেরিঅলার ভয়ে
ঘুম গায় ঠুমরিতে

২১

হাতির শব্দকে মনে হয় বন—

কিছু কিছু পত্রছায়ায় আলো লাগে
সাবুদানা ফেটে সমস্ত স্পর্ধায়
বসে থাকে জ্বর

ফুলেরও মাহুত থাকে
যে কম্পাঙ্ক ভাবার বাইরে ছিল
তাতে লম্বিত বৃষ্টি এলে
কাচ ফোটে

আর সমস্ত রূপকথাই মূলত পলিনির্ভর
যেভাবে কিছু জোড়া পা
সারারাত থৈ থৈ করে পাপোসে

২২

মেয়েটার গলার ভেতরে বসে
দুর্ধর্ষ বসন্তকাল
ধীরে ধীরে পা নাড়ছে আর খাদ্যনালীর মাঝে আটকে
আছে চাঁদ


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ