শুধু দেখেই যাবে

তুমি তাকে বিয়ে করলে।
তাকে না, যে তোমাকে নিয়ে মাঝ রাতে পিচ ঢালা রাস্তায় ঘুমন্ত শহর দেখাতে চেয়েছিলো।

বরং তাকে যার পরিবারের সামনে তোমাকে প্রমান করতে হয়েছিলো তোমার হাঁটার চলনে কোনো সমস্যা নেই।
কী অবলিলায় তুমি তার হয়ে গেলে!

তুমি তার ঘরে গেলে তার ভোগের পাত্রী হয়ে।
খারাপ লাগলো শুনতে?
আচ্ছা সে কী তোমাকে কোনোদিন আকাশ দেখাতে চেয়েছে?
কখনো কী সে পিছন থেকে এসে তোমার চোখ চেপে ধরে বলেছে ভালবাসি?
সে কিছুই বলেনি।

সরকারী চাকুরীজীবী সে।
১০-৫ টা ডিউটি করে এসে সে নিজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
তোমাকে দেখার সময় কই তার?
তুমি যে মাঝে মাঝে দুটো বেণী করো চুলে সেটা কী তোমার হাজবেন্ড কখনো খেয়াল করেছে?
করলেও কী কখনো বলেছে তোমাকে দেখতে ঠিক ষোড়শী কন্যার মত লাগে।
হয়তো বলেনি।

১০-৫ টার টাইম লুপে সে আটকা পড়ে আছে।
এরপর তুমি নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করলে।
বাইরের সবাইকে দেখালে খুব সুখী তুমি। কিন্তু ভিতরে ভিতরে যে তুমি খোলা আকাশ দেখতে চাও,

উড়তে চাও মেঘ ছুয়ে তা হয়তো কেউ বুঝতেও পারবেনা।
এভাবেই তোমার জীবন কেটে যাবে সেই ১০-৫ টা টাইম লুপের মধ্যে থাকা মানুষটার সাথে।
সুখী হওয়ার অভিনয় করতে করতে যেদিন তুমি ক্লান্ত হয়ে যাবে সেদিন জীবনের ঠিক অনেকটা বছর পিছনে খুঁজলে দেখবে কি হারিয়েছো তুমি।
সেদিন তুমি দেখবে, শুধু দেখেই যাবে।


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ