ব্রেকআপ স্টোরি

যখন এই লেখাটা তোমার হাতে পড়বে,তখন জানবে আমি তোমার থেকেই অনেক দূরেই চলে গেছি।
তবে এই চলে যাওয়াটায় আমি প্রতারক কিনা জানিনা,তবে তোমাকেও দোষী বলবো না।
সত্যি বলতে তোমাকে জোর করে আটকে রাখাটা আমার পক্ষে সম্ভব ছিলো না কখনো। তাইতো আমিহীনতায় তুমি সুখে হবে ভেবেই সব কষ্ট ভুলে তোমাকে ছেড়েই দূরে আছি।
নিজেকে নিজেই মেরে ফেলেছি আর তোমাকে দেওয়া সব কথা ভুলে ঠিক আগের মতো অনিয়মের বেড়াজাল টপকে হারিয়ে গিয়েছি অন্ধকার সেই জগতে।
তবে এখনো যখন এই হাতে সিগারেট ওঠে,ঠোট পুড়িয়ে নিকোটিন চলে যায় তোমাকে ভালবাসার সেই হৃদয়ের করিডোরে তখনই হাতটা আমার কেপে ওঠে। ঠোট থেকে পড়ে যেতে চায় জলন্ত সিগারেট।
তবুও তোমাকে ভুলে কষ্ট চাপা দিতেই সিগারেটে খুজি অপ্রকৃত সুখের সন্ধান।
তুমি আমার সব জানতে,কিন্তু না জানা অনেক কথা আছে যা আজও আমার চিরসঙ্গি হয়েই রয়ে গেল।
এইতো আমি,নিজেকে নিজেও বুঝি না,বুঝতেও চাই না আর।
শেষ সেই তোমার সাথেই কথা বলেছিলাম,তারপর আমার ঐ নম্বরটা ফেলে দিয়েছিলাম স্মৃতির আস্তাকুড়েতে।
আজ আমি নিজেই নিজের অতীত নিজেই বতর্মান নিজেই ভবিষৎকে গড়ে নিচ্ছি।
অতীততো অতীতেই চলে গেছে,বতর্মান তো চলছেই আর ভবিষৎ! সেটাও জানা।
যদি দেখা হয় কখনো,তবে মুখ ফিরিয়ে নেবে কিনা জানি না। তবে কষ্ট হলেও মুখ ফিরিয়ে নিয়েই ভীড়ের ভেতরে হারিয়ে যাবো। এটা সত্য,দূর থেকে একটাবার হলেও তোমাকে দেখার চেষ্টা করবো।
কাছ থেকে যে মানুষ টা তোমাকে ভালবেসেছিলো সে এখন দূর থেকেই খুশি।
জানো, আমি এতো কিছুর পরেও হ্যাপি।
টাকা দিয়ে কেনা তোমার ১টা মাএ ছবিই আমার স্বগর্উদ্যান।
মাঝে মাঝে যখন অনিয়মের জন্য শয্যাশায়ী হয়ে পড়ি তখন নিজেকে নিজেই জোর করে আবারো অনিয়ম করে কষ্ট দেই।
অসহ্য লাগছে হয়তো এগুলো পড়তে।
তোমাকে যতখানি জেনেছিলাম বুঝেছিলাম   তার সবটুকুকেই মিথ্যে প্রমান করে আজ সত্যিই নিরবেই দূরে সরে গেছি।
অবাক হবার কিছু নেই,বদলে যাওয়ার এই রীতিতে আমার তালিকা থেকে অনেকেই বাদ পড়ে গেছে আর তারা প্রত্যেকেই ছিলো ভালবাসার মানুষ।
আর বদলে যাবার পথে যাদের আকড়ে ধরেছি তারা তিলে তিলে আমার অন্তিমে নিয়ে যাওয়ার বন্ধু।
আজ এই লেখাতে বলবো,কষ্ট হলেও বলবো,তুমি করুনায় করেছিলে।
আমি সেই করুনার পাএই ছিলাম।
একটা জিনিস জানতে চাইবো ভেবেছিলাম,কিন্তু না। তার আর দরকার হবে না।
ইচ্ছা ছিলো,চলে যাওয়ার সময় তুমি আমাকে বিদায় দেবে। সেটা যে আগে থেকেই পেয়ে যাবো ভাবতেও পারি নি।

হ্যা,

কবি নয়,তবুও বলতেই হয় তাদের মতো—-

“”ইচ্ছে হলেও ভুলে যাওয়ার কথা বলা যায়,

কিন্তু চেষ্টা করেও ভুলে থাকা যায় না”””

তেমনটাই হচ্ছে আমার সাথে।

৬ মে,মনে আছে? আদুরে সেই ডাকে জড়িয়ে ধরেছিলে….!

আজ এই বিচ্ছেদের মাঝেও সেই আলিঙ্গনটাই খুজি।

মনে আছে,২১ জুলাই রাত! ২২ জুলাইয়ের পুরোটা দিন….!    আজ এই রাত দিনের গোলক ধাধায় সেসব শুধুই মরিচিকা মাত্র।

এর পরেও আমি হ্যাপি থাকার কথা ভাবি,হাজারটা মানুষের মুখে হাসি ফোটায়,মিথ্যা বলেই নিজেকে ঠকায়।

তোমাকে তুলে দেয় সাক্ষীর কাঠগড়ায়,আর অপরাধী হয়ে পড়ে থাকি আমি অন্ধকার কুঠিরে।

কবি নই,তবুও লিখি তোমাকে নিয়ে,ভাবতে হয় তোমাকে নিয়ে,কাদতে হয় তোমাকে ভেবেই।

এটাই বলার ছিলো,বিদায় তোমায় বিদায়।

————————-

পাগলামী চলতো,চলবে।

 

“””পাগলী,তুই আধার চাইলে আলো দিবো এনে—

পাগলী,তুই তারা চাইলে আকাশ দিবো পেড়ে—

পাগলী,তুই চাদটা চাইলে,বুকটা দিবো মেলে—

পাগলী,তুই জানিস নে,আমি পড়েছি তোর প্রেমে।।

পাগলী,তুই ঘুম পড়লে,সুখের স্বপ্ন দিবো চোখে—-

পাগলী,তোর খোলা চুলে,ফুলটি দিবো গেথে—-

পাগলী,তোর শাড়ির আচল,বাতাসে গেলে সরে—–

পাগলী,তোর পাশেই থাকবো আমি,তোরই বসন হয়ে।।


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ