দূতাবাস এবং হাই কমিশন

বর্তমান বিশ্বে কোন দেশই একা চলতে পারে না। দেশ গুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার কোন বিকল্প নাই। এক দেশের সাথে আরেক দেশের সম্পর্ক চালু রাখার জন্য এক দেশ আরেক দেশে তাদের দফতর স্থাপন করে এবং প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেয়। এই অফিসগুলোই মূলত দূতাবাস। দূতাবাসগুলো ১৯৬৩ সালের ভিয়েনা কনভেনশন অনুসারে পরিচালিত হয়।

সাবেক বৃটিশ কলোনীভুক্ত দেশ সমুহ একে অপর দেশে যে দূতাবাস স্থাপন করে তাকে বলে হাইকমিশন। সহজে বললে বলা যায়, যারা এক সময় বৃটিশ কর্তৃক শাসিত ও শোষিত হয়েছে তারা বর্তমানে কমনওয়েথ নামে একটি সংগঠনের সদস্য। তাদের দূতাবাসগুলোই হাইকমিশন নামে পরিচিত।
দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের র্যাঙ্ক সমূহ।

১। রাষ্ট্রদূত (Ambassador) : হাইকমিশনার: তিনি রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক বিশেষ ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। হোস্ট দেশে তিনি রাষ্ট্র প্রধানের ন্যায় মর্যদা লাভ করেন। তিনি গাড়ীতে নিজ দেশের পতাকা উড়িয়ে চলাচল করেন। তাকে সাধারন – মান্যবর বা His Excellency বলে সম্বোধন করা হয়।
২। মিনিস্টার বা Minister: উপরাষ্ট্রদূত যিনি থাকেন তাকে দূতাবাসের ভাষায় মিনিস্টার বলা হয়। কিন্তু তিনি কোন মন্ত্রী নন।
৩। কাউন্সেল (Counsellor) : দূতাবাসে মিনিস্টারের নিচের পদটিকে কাউন্সেলর বলে।
৪। প্রথম সচিব( First Secretary):
৫। দ্বিতীয় সচিব (Second Secretary):
৬। তৃতীয় সচিব (Third Secretary):
৭।এ্যাটাশে ( Attaché):
৮। এসিস্ট্যান্ট এ্যাটাশে ( Assistant Attaché):

মোটামুটি একটি দূতাবাস আ হাইকমিশনের উপরের পদগুলোকে কূটনৈতিক পদ বলা হয়। এর বাইরে স্থানীয় ভাবে হোস্ট দেশ থেকে বাকি কর্মচারীদেকে নিয়োগ করে দূতাবাস পরিচালিত হয়।

দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত যখন অনুপস্থিত থাকেন তখন যে সিনিয়র কূটনীতিক দূতাবাস প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন তাকে কূটনৈতিক ভাষায় Chargé d’affaires চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স বলা হয়। হাইকমিশনে এটাকে বলা হয় Acting High Commissioner.

একটি দূতাবাসের পুরো টিমকে কূটনৈতিক ভাষায় মিশন বলা হয়। সেই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারকে মিশন প্রধান বা Head of the Mission বলা হয়।

লক্ষ্যনীয়ঃ যুক্তরাষ্ট্র বৃটিশ শাসনে থাকলেও সে কমনওয়েলথ এর সদস্য নয়। তাই তার রাষ্ট্রদূতকে হাইকমিশনার বলা হয় না।


আমাদের উৎসাহিত করুনঃ




সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয় ।

লেখক সম্পর্কেঃ

বুনন সম্পর্কিত তথ্যঃ